‘সোনার বাংলা গড়ার পথে একটি অন্যতম পাথেয় তথ্যপ্রযুক্তি’

Print Friendly, PDF & Email

নিউজ ডেস্ক : পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্বে জাতির পিতার ‘সোনার বাংলা’ গড়ার পথে একটি অন্যতম পাথেয় তথ্যপ্রযুক্তি। প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের বলিষ্ঠ ও দৃঢ় নেতৃত্বে অনেক অসম্ভবকে সম্ভব করে আজকের ডিজিটাল বাংলাদেশ এগিয়ে চলছে।

রবিবার (২৫ এপ্রিল) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ আয়োজিত ‘বৈঠক’ অ্যাপের ভার্চ্যুয়াল উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা বলেন।

দেশের নিজস্ব কারিগরি কুশলতায়, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের ব্যবস্থাপনায় ‘বৈঠক’ অ্যাপটি জুম বা অন্যান্য ভিডিও কনফারেন্স অ্যাপের বিকল্প হিসেবে তৈরি করা হয়েছে।

ড. মোমেন বলেন, বিদেশি সাহায্য নির্ভর অর্থনীতি থেকে বাংলাদেশ রপ্তানি ও বৈদেশিক আয় নির্ভর অর্থনীতির রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। রূপকল্প-২০৪১ বাস্তবায়নে আমরা এগিয়ে চলেছি দুর্বার গতিতে। সেজন্য প্রয়োজন কৃষি, শিল্প, সেবা, তথ্যপ্রযুক্তিসহ সব খাতে আমাদের সাফল্যের ধারা বজায় রাখা।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সাফল্য আজ বিশ্বের কাছে স্বীকৃত এবং এ বিষয়ে সম্প্রতি ১৪৭টি দেশের রাষ্ট্র প্রধান ও সরকার প্রধান ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। দেশে উদ্যোক্তাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি ও অধিকতর কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সরকার গুরুত্বারোপ করেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ড. মোমেন বলেন, আমাদের সম্ভাবনা আছে, সম্পদ আছে ও স্পৃহা আছে। আছে সঠিক দিকনির্দেশনা ও সুযোগ্য নেতৃত্ব। ২০৪১ সালের মধ্যে দেশকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করতে রাষ্ট্রের সবগুলো অঙ্গপ্রতিষ্ঠানকে একযোগে ও এক লক্ষ্যে কাজ করে যেতে হবে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেন, এখন বাংলাদেশের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ১০ কোটি। ১৬ কোটির ওপর মানুষ আজ মোবাইল ফোন ব্যবহার করছে। আইসিটি সেক্টর থেকে প্রতিবছর আমরা এক বিলিয়ন ডলার আয় করছি। ২০২৫ এরমধ্যে এ সংখ্যা পাঁচ বিলিয়ন মার্কিন ডলার হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ড. মোমেন বলেন, উন্নত দেশ হবার পাশাপাশি জনগণের দোরগোড়ায় সরকারি সেবা পৌঁছে দেওয়া আমাদের লক্ষ্য। আর এ সেবা নিশ্চিত করতে আমাদের মানবসম্পদ উন্নয়নের সঙ্গে ডিজিটাল সরকার ব্যবস্থাকেও যুগোপযোগী করতে হচ্ছে। সেই পথে এগিয়ে যাবার একটি চমৎকার উদাহরণ এ ‘বৈঠক’ প্ল্যাটফর্ম।

তথ্যপ্রযুক্তির নতুন নতুন মাত্রার সঙ্গে সামিল হতে আমাদের দক্ষতা উন্নয়ন এখনই দরকার। জীবনের সব ক্ষেত্রে, সব কর্মযজ্ঞে, সব বিষয়ে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার যদি আমরা সঠিকভাবে করতে না পারি তবে এর বহুমাত্রিক উপযোগিতা থেকে আমরা বঞ্চিত হবো এবং এর খেসারত দেবে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলম।