নুসরাত জাহানের  মৃত্যুতে শাহবাগ থানায় জিডি

Print Friendly, PDF & Email

নিউজ ডেস্ক : ফেনীর সোনাগাজীর অগ্নিদগ্ধ মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফির মৃত্যুর ঘটনায় শাহবাগ থানায় একটি জিডি করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে নুসরাতদের আত্মীয় মোহাম্মদ আলী এই জিডিটি (জিডি নম্বর-৬০২) করেন।
এ বিষয়ে শাহবাগ থানার ডিউটি অফিসার এসআই জাহাঙ্গীর আলম বলেন, নুসরাতের সুরতহাল করবে পুলিশ এবং হাসপাতালে ময়নাতদন্তের পর মরদেহ পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হবে।
এদিকে সকালে হাসপাতালের হিমঘর থেকে নুসরাতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়।
এরআগে, বুধবার (১০ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৯টার দিকে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। ঢামেকের বার্ন ইউনিটের সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
নুসরাত জাহান রাফির চিকিৎসায় গঠিত মেডিক্যাল বোর্ডের প্রধান ও শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম বলেন, বুধবার সকাল থেকে তার অবস্থা অবনতি হতে থাকে। একাধিকবার তার হার্ট অ্যাটাক করেছিল, তারপরও সে সার্ভাইভ করেছিল। কিন্তু, রাত সাড়ে ৯ টার দিকে মারা যায়।
প্রসঙ্গত, গত ৬ এপ্রিল সকাল ৯টার দিকে আলিম পর্যায়ের আরবি প্রথম পত্র পরীক্ষা দিতে সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে যান নুসরাত। এরপর কৌশলে তাকে পাশের ভবনের ছাদে ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে বোরকা পরা ৪/৫ ব্যক্তি তার শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে তার শরীরের ৭৫ শতাংশ পুড়ে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে সোনাগাজী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে ফেনী সদর হাসপাতালে পাঠান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তাকে ঢামেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়।