বনানীর ইকবাল সেন্টারসহ তিন ভবন ‘অগ্নি ঝুঁকিপূর্ণ’

Print Friendly, PDF & Email

নিউজ ডেস্ক : এফআর টাওয়ারে অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির পর বনানীর বিভিন্ন বহুতল ভবনের ত্রুটি চিহ্নিত করতে পরিচালক মামুন মিয়ার নেতৃত্বে রাজউক জোন-৪ এর একটি দল আজ বুধবার তৃতীয় দিনের মতো অভিযান চালাচ্ছে।

আজ সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর একটার মধ্যে চারটি ভবন পরিদর্শন করে তিনটিকে ‘অগ্নি ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করে দলটি । এর মধ্যে আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য এইচবিএম ইকবালের মালিকানাধীন ‘ইকবাল সেন্টার’ও রয়েছে, যেটি ১৮ তলার অনুমোদন নিয়ে ২৩ তলা করার প্রমাণ মিলেছে রাজউকের পরিদর্শনে।
অন্য ভবন দুটি হচ্ছে ২১ তলা বুলু ওশান টাওয়ার এবং ১৬ তলা ডেল্টা ডালিয়া। রাউজকের আগেই অবশ্য ফায়ার সার্ভিস ‘অগ্নি ঝুঁকিতে’ এই দুই ভবনের সামনে ব্যানার ঝুলিয়েছে।
রাজউকের দলটি সকাল সাড়ে ১০টায় প্রথমে আওয়াল টাওয়ারে যায়। এরপর একে একে ডেলটা ডালিয়া, বুলু ওশান টাওয়ার এবং ইকবাল সেন্টার পরিদর্শন করে।
জানা গেছে, ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত ডেলাটা ডালিয়া ও বুলু ওশান টওয়ার আবাসিক অনুমোদন নিয়ে নির্মিত হলেও দুটি ভবনের কয়েকটি ফ্লোরে বাণিজ্যিক কার্যক্রম চলছে। এছাড়া ভবন দুটিতে ফায়ার এক্সিট ত্রুটিসহ বিভিন্ন ত্রুটি পাওয়া গেছে । রাজউকও ভবন দুটিকে ঝুঁকিপূর্ণ বলছে।
ইকবাল সেন্টার সম্পর্কে রাজউক পরিচালক মামুন মিয়া বলেন, “এই ভবনটিও ঝুঁকিপূর্ণ, কোনো ফায়ার এক্সিট নেই। জিরো সেট ব্যাকে ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। সামনে-পেছনে জায়গা নেই।
“আঠারো তলার অনুমোদন নিয়ে ভবনটি ২৩ তলা করা হয়েছে৷ ২০১৫ সালে বাড়তি তলাগুলোর অনুমতি চেয়েছিল কিন্তু গ্রাহ্য হয়নি।”
ইকবাল সেন্টারে বাড়তি তলার একটি অংশে মসজিদও রয়েছে। ভবনটির বর্ধিত অংশ অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান মামুন মিয়া।
এর আগে গত দুইদিনে বনানীতে ৪২টি পরিদর্শন করেছে রাজউকের দল।