জাতিসংঘে জনসংখ্যা ও উন্নয়ন সংক্রান্ত ৫২তম অধিবেশনে বাংলাদেশ

Print Friendly, PDF & Email

নিউজ ডেস্ক : জাতিসংঘের জনসংখ্যা ও উন্নয়ন সংক্রান্ত ‘কমিশন অন পপুলেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট’ (সিপিডি) এর ৫২তম অধিবেশনে অংশ নিয়েছে বাংলাদেশ।
স্থানীয় সময় সোমবার নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে ‘আইসিপিপি পিওএ এবং এজেন্ডা ২০৩০ অর্জনে দক্ষিণ-দক্ষিণ সহযোগিতা’ শিরোনামে শুরু হওয়া এ অধিবেশন চলবে ৫ এপ্রিল পর্যন্ত।
অধিবেশনের উদ্বোধনী পর্বে প্যানেলিস্ট হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসান।
তিনি বলেন, “জনসংখ্যা ও উন্নয়ন বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের কর্ম-পরিকল্পনা (আইসিপিপি পিওএ) বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ‘দক্ষিণ-দক্ষিণ সহযোগিতার (এসএসসি) প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে ‘জনসংখ্যা ও উন্নয়ন’ খাতে অর্জিত সর্বোত্তম অনুশীলনগুলো দক্ষিণের দেশগুলোর সাথে ভাগ করে নিতে প্রস্তুত বাংলাদেশ। পাশাপাশি অন্য অংশীদার ও জাতিসংঘের সহযোগী সংস্থাসমূহের সর্বোত্তম অনুশীলনগুলোও আমরা শিখতে আগ্রহী। এছাড়া দক্ষিণ-দক্ষিণ সহযোগিতার সর্বোচ্চ সুযোগ কাজে লাগিয়ে আমরা জনসংখ্যা ও উন্নয়ন সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জসমূহ মোকাবেলা করতে চাই।”
নবজাতক, পাঁচ বছরের কম বয়েসী শিশু ও প্রসবকালীন মৃত্যুহার হ্রাস, গড়আয়ু বৃদ্ধি, জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতির ব্যবহার বৃদ্ধি, দারিদ্র্য হ্রাস, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষায় অগ্রগতি, লিঙ্গবৈষম্য দূর ইত্যাদি ক্ষেত্রে সরকারের সাফল্যের বিবরণ উপস্থাপন করেন প্রতিমন্ত্রী।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে প্রায় ১৪ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে শক্তিশালী প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে বাংলাদেশ।”
এছাড়া মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্ত্যুচ্যূত রোহিঙ্গাদের মানবিক আশ্রয়দানের কথা এবং এরফলে সৃষ্ট স্বাস্থ্যসেবার চ্যালেঞ্জসহ বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জগুলোর কথা তুলে ধরেন মুরাদ হাসান। তিনি রোহিঙ্গা সমস্যার টেকসই সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।
একইদিন বিকেলে সিপিডির ৫২তম সেশনে কান্ট্রি স্টেটমেন্ট দেন স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও পরিবারকল্যাণ বিভাগের সচিব জি এম সালেহ্ উদ্দিন।
এসময় সচিব বলেন, “জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনার কেন্দ্রবিন্দুতে যুব ও নারী উন্নয়নকে স্থাপন করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রূপকল্প ২০২১ বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশকে একটি মধ্যম আয়ের দেশ এবং রূপকল্প ২০৪১ বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশকে উন্নত-সমৃদ্ধ দেশে পরিণত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন।”