ইসরায়েলকে নতুন স্থাপনা নির্মাণ বন্ধ করতে হবে : টেরিজা মে

Print Friendly, PDF & Email

নিউজ ডেস্ক : যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী টেরিজা মে বলেছেন, শান্তি প্রতিষ্ঠায় ফিলিস্তিনের দখলকৃত এলাকায় অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ বন্ধ করতে হবে ইসরায়েলকে।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার যুক্তরাজ্য সফররত ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে এ কথা বলেন মে।

বার্তা সংস্থা এএফপি ও রয়টার্সের বরাত দিয়ে আরব নিউজের খবরে বলা হয়, ১৯১৭ সালের বেলফোর ঘোষণার (যা ইহুদিদের জন্য আলাদা রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার রসদ জুগিয়েছে) শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত নৈশভোজে ফিলিস্তিন ও ইসরায়েলের বিষয়ে বক্তব্য দেন মে। তিনি বলেন, ব্রিটেন দুই রাষ্ট্র সমাধানের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

‘এই লক্ষ্য (দুই রাষ্ট্র) বাস্তবে রূপ দিতে হলে দুই পক্ষকেই ছাড় দিতে হবে, নতুন স্থাপনা নির্মাণ বন্ধ করতে হবে এবং ফিলিস্তিনিদের তরফ থেকেও উসকানি ছড়ানো যাবে না’, বলেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী।

এর আগে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর  ডাউনিং স্ট্রিটে নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক করেন মে। ওই সময় নেতানিয়াহু বলেন, ‘ইসরায়েল শান্তির প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, আমি শান্তির প্রতি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।’

‘বেলফোরের ১০০ বছর পর ফিলিস্তিনিদের উচিত চূড়ান্তভাবে ইহুদিদের জাতীয় বসতি ও ইহুদি রাষ্ট্রকে মেনে নেওয়া। যখনই তারা সেটা করবে, শান্তির রাস্তা অবারিত হয়ে যাবে। আমার ব্যক্তিগত মত হলো, শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব’, বলেন নেতানিয়াহু।

বেলফোর ঘোষণার মধ্য দিয়েই ১৯৪৮ সালে ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হয়। এই ঘোষণার শত বর্ষ পালন ইসরায়েলিদের কাছে আনন্দের বিষয়। তবে বহু ফিলিস্তিনি মনে করেন, ইসরায়েল প্রতিষ্ঠার পর থেকে লাখ লাখ মানুষকে তাদের ঘরবাড়ি ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরের নাবলুসে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী টেরিজা মে ও তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আর্থার বেলফোরের কুশপুত্তলিকা দাহ করে বিক্ষোভকারীরা। অন্যদিকে হেবরনে বিক্ষোভের সময় যুক্তরাজ্যের একটি পতাকা পুড়ানো হয়।

 

Be the first to comment on "ইসরায়েলকে নতুন স্থাপনা নির্মাণ বন্ধ করতে হবে : টেরিজা মে"

Leave a comment

Your email address will not be published.




four × two =