খালেদাকে কেরানীগঞ্জ কারাগারে নেওয়ার ষড়যন্ত্র চলছে : রিজভী

Print Friendly, PDF & Email

[ A+ ] /[ A- ]

নিউজ ডেস্ক : যুক্তরাজ্য সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফেরার পর বেগম খালেদা জিয়ার মামলা পরিচালনার জন্য কেরানীগঞ্জের কারাগারে আদালত বসাতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে নির্দেশনা দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
তিনি বলেন, গুরুতর অসুস্থ দেশনেত্রীকে বিএসএমএমইউ থেকে থেকে কেরানীগঞ্জ কারাগারে নেওয়ার চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্র চলছে।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন।
রিজভী বলেন, গুরুতর অসুস্থ খালেদা জিয়ার চিকিৎসা সম্পন্ন হয়নি। তিনি এখনও বেশ অসুস্থ। এ অবস্থায় তাকে শিগগিরই কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারে নতুন নির্মিত মহিলা কম্পাউন্ডে স্থানান্তর করার অশুভ আয়োজন চলছে বলে গণমাধ্যমে খবর বেরিয়েছে। তার নামে ১৭টি মিথ্যা মামলার বিচার কার্যক্রম ঢাকার নাজিম উদ্দিন রোডের পরিত্যক্ত কারাগার থেকে কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থানান্তরের প্রজ্ঞাপন জারি করেছে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
সরকারকে হুঁশিয়ার করে তিনি বলেন, আগুন নিয়ে আর খেলবেন না। এই হিংসার আগুনে একদিন হয়তো আপনাদের নিজেদেরই সর্বনাশ হবে। বাংলাদেশের মানুষের প্রিয় নেত্রী খালেদা জিয়ার জীবন নিয়ে যে ছিনিমিনি খেলছেন সেই ‘ডার্টি গেম’ বন্ধ করুন। জামিনে হস্তক্ষেপ বন্ধ করুন। আদালতের ওপর প্রভাব বিস্তার বন্ধ করুন।
‘কৃষকের ঘরে ঘরে এখন হাহাকার। এই মিডনাইট ইলেকশনের সরকারের হঠকারি সিদ্ধান্ত, বিদ্যুৎ-জ্বালানি ও সারের মূল্য বৃদ্ধিসহ কৃষকদের প্রতি উদাসীনতার কারণে উৎপাদন খরচ উঠছে না কৃষকের।’
তিনি বলেন, দেশে কর্মসংস্থানের অভাবে চাকরির জন্য জীবনবাজি রেখে ইতালি পাড়ি দিতে গিয়ে ভূমধ্যসাগরে ডুবে মারা গেছেন ৩৭ জন হতভাগ্য বাংলাদেশি। তাদের জন্য আমরা গভীরভাবে শোকাহত। মিডনাইট সরকারের বিনা ভোটের মন্ত্রীরা কেউ বাংলাদেশকে কানাডা-স্পেনের সঙ্গে তুলনা করছেন, কেউ প্যারিস-লসএঞ্জেলেস-সিঙ্গাপুরকে ছাড়িয়ে যাওয়ার কথা বলছেন। সরকারের মন্ত্রীরা বলছেন, সুইজারল্যান্ডের মন্ত্রী নাকি প্রধানমন্ত্রীর কাছে এক টুকরো বাংলাদেশ চান।
সিরাজগঞ্জ শহর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক সানোয়ার হোসেন সানুকে কয়েকদিন আগে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর লোকেরা তুলে নিয়ে গেলেও এখনও পর্যন্ত তার কোনো হদিস দিচ্ছে না দাবি করে তিনি বলেন, সবাই জানে যে, সানু আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কাছেই আছে। তারপরও তার হদিস না দেওয়াটা কোনো ভয়ঙ্কর পরিণতিরই ইঙ্গিত বহন করে। আমি অবিলম্বে সানোয়ার হোসেন সানুকে জনসমক্ষে হাজির করার জন্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি।