কিডনি চিকিৎসায় খরচ কমছে

Print Friendly, PDF & Email

[ A+ ] /[ A- ]

নিউজ ডেস্ক : পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপের (পিপিপি) আওতায় শুধু কিডনি চিকিৎসা প্রদান করা হয়, এমন হাসপাতাল কর্তৃক আমদানি করা হেমোডায়ালাইসিস মেশিন সংশ্লিষ্ট রাসায়নিকসমূহের ওপর মূল্য সংযোজন কর (মূসক) ও অগ্রিম মূল্য সংযোজন কর (এটিভি) মওকুফ করেছে সরকার। এতে কিডনি চিকিৎসার খরচ কিছুটা কমবে বলে সংশ্লিষ্টদের আশা।

৩০ জুন পর্যন্ত শর্ত সাপেক্ষে এ নিয়ম বলবৎ থাকবে বলে ২৬ এপ্রিল স্বাক্ষরিত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) এক আদেশে বলা হয়েছে।

এতে বলা হয়, রেফারেল হাসপাতাল সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন দিয়ে ২০০৯ সাল থেকে চিকিৎসা যন্ত্রপাতি ও চিকিৎসা আমদানির ক্ষেত্রে সমুদয় আমদানি শুল্ক, মূসক ও সম্পূরক শুল্ক অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া ২০১৮ সালের ৭ জুন অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনে হেমোডায়ালাইসার (আর্টিফিসিয়াল কিডনির) ওপর আমদানি পর্যায়ে প্রযোজ্য মূল্য সংযোজন কর অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে।

একইসঙ্গে হেমোডায়ালাইসিস মেশিনগুলো গরিব রোগীদের চিকিৎসা সেবায় ব্যবহৃত হবে। এক্ষেত্রে কর অব্যাহতি প্রদান করলে গরিব রোগীরা কম খরচে সেবা গ্রহণ করতে পারবে।

এনবিআর জনস্বার্থকে গুরুত্ব দিয়ে মূল্য সংযোজন কর আইন, ১৯৯১ এর ধারা ১৪ এর উপধারা (২) এ প্রদত্ত ক্ষমতা বলে, পিপিপির আওতায় শুধু কিডনি চিকিৎসা প্রদান করা হয়, এমন হাসপাতালের আমদানি করা হেমোডায়ালাইসিস মেশিন সংশ্লিষ্ট রাসায়নিকসমূহের ওপর ভ্যাট ও এটিভি শর্ত সাপেক্ষে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত মওকুফ করা হয়েছে।

শর্তগুলো হলো- হেমোডায়ালাইসিস মেশিন সংশ্লিষ্ট রাসায়নিকসমূহ দরিদ্র রোগীদের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হবে এবং কোনো অবস্থাতেই বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার বা বিক্রয় বা হস্তান্তর করা যাবে না।

আমদানি করা পণ্য শূল্ক মূল্যায়ন (আমদানি পণ্যের মূল্য নির্ধারণ) বিধিমালা, ২০০০ এর আলোকে যথাযথ মূল্যে ও এইচএস কোডে শুল্কায়ন করতে হবে। শুল্কায়নের আগে পণ্যের স্পেসিফিকেশন ও ঘোষণার যথার্থতা সম্পর্কে নিশ্চিত হতে হবে। আমদানি নীতি আদেশ ২০১৫-১৮ অনুযায়ী, পণ্য আমদানির জন্য প্রযোজ্য শর্তাদি এ ক্ষেত্রে পরিপালনীয় হবে।

শুল্ক ভবনের কমিশনারের নিকট সংশ্লিষ্ট আমদানিকারক কর্তৃক ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে এই মর্মে অঙ্গীকারনামা দাখিল করতে হবে যে, পিপিপির আওতায় প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠান কর্তৃক আমাদিন করা হেমোডায়ালাইসিস মেশিন সংশ্লিষ্ট রাসায়নিকসমূহ কোনো প্রকার হস্তান্তর, বিক্রয়, অন্যবিধ ব্যবহার, চুরি বা খোয়া গেলে আমদানিকারক কর্তৃক প্রযোজ্য শুল্ক করাদি পরিশোধে বাধ্য থাকবে।