টটেনহ্যামকে ৭ গোলে উড়িয়ে দিল বায়ার্ন

Print Friendly, PDF & Email

নিউজ ডেস্ক : গত আসরের রানার্সআপ দল তারা, ঘরের মাঠে ম্যাচের শুরুটাও হয়েছিল ঠিক তেমনই। মাত্র ১২ মিনিটের মধ্যে প্রথম গোল করে লিড নিয়েছিল টটেনহ্যাম হটস্পার। কিন্তু এরপর ম্যাচের বাকি সময় যা হলো তা হয়তো দুঃস্বপ্নেও দেখতে চাইবেন না টটেনহ্যাম দর্শকরা।

উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগে (ইউসিএল) বরাবরের মতোই শক্তিশালী দল বায়ার্ন মিউনিখ। যার প্রমাণ তারা দিল আরও একবার। তাও কি না গত আসরের রানার্সআপ দল টটেনহ্যামের জালে ৭ গোল করে! বিপরীতে অবশ্য হজম করতে হয়েছে ২টি। সবমিলিয়ে টটেনহ্যামের মাঠ থেকে ৭-২ গোলের বিশাল জয় নিয়ে ফিরেছে নিকো কোভাকের শিষ্যরা। একাই চার গোল করেছেন জার্মান মিডফিল্ডার সার্জি জিনাব্রি।

অবশ্য টুর্নামেন্টের শুরুটাই গড়বড়ে করেছিল স্পার্সরা। নিজেদের প্রথম ম্যাচে অলিম্পিয়াকোসের সঙ্গে ২-২ গোলে ড্র করে বসেছিল মাউরিসিও পচেত্তিনোর শিষ্যরা। অন্যদিকে ক্রেভনা ভেজদাকে ৩-০ গোলে হারিয়েই ইউসিএলের চলতি আসরে নিজেদের যাত্রা শুরু করেছিল বায়ার্ন।

প্রথম ম্যাচের হতাশা ভুলে ঘুরে দাঁড়ানোর মিশনে বায়ার্নের বিপক্ষে দারুণ শুরু করে টটেনহ্যাম। মাত্র ১২ মিনিটের মাথায় দক্ষিণ কোরিয়ার ফরোয়ার্ড সন হিউং মিনের গোলে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। তবে এই সুখ স্থায়ী হয় মাত্র মিনিট তিনেক। কেননা ১৫ মিনিটের মাথায় দারুণ ফিনিশিংয়ে ম্যাচে সমতা ফেরান জার্মান ডিফেন্ডার জশুয়া কিমিচ।

এরপর ম্যাচের প্রথমার্ধে গোল হয় আর মাত্র ১টি। বিরতিতে যাওয়ার ঠিক আগমুহূর্তে ডান পায়ের জোরালো শটে বায়ার্নকে লিড এনে দেন পোলিশ স্ট্রাইকার রবার্ট লেওয়ানডোস্কি, ২-১ গোলে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় তারা।

দ্বিতীয়ার্ধের পুরোটাই ছিলো জিনাব্রিময়। দুই দফায় খুবই অল্প সময়ের মধ্যে দুইটি করে গোল করেন তিনি। প্রথমে ৫৩ ও ৫৫ মিনিটে গোল করে জাগান হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা। পরে ৮৩ মিনিটে করেন হ্যাটট্রিক এবং সবশেষ ৮৮ মিনিটে লক্ষ্যভেদ করে সাত গোল পূরণ করেন এ মিডফিল্ডার।

জিনাব্রি শোয়ের মাঝে টটেনহ্যামের হয়ে একটি গোল শোধ করেন হ্যারি কেন। ভিএআরের মাধ্যমে পাওয়া পেনাল্টি থেকে গোলটি করেন তিনি। এছাড়া ৮৭ মিনিটে বায়ার্নের ষষ্ঠ গোলটি করেন লেওয়ানডোস্কি।

এ জয়ের পর ২ ম্যাচে পূর্ণ ৬ পয়েন্ট নিয়ে বি গ্রুপের শীর্ষেই রয়েছে বায়ার্ন। সমান ম্যাচে ৩ পয়েন্ট নিয়ে দুই নম্বরে ক্রেভনা ভেজদা।