রোহিঙ্গা শিবিরে পরিদর্শনে ১৫ দেশের ১৯ দূত

Print Friendly, PDF & Email
নিউজ ডেস্ক : কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফের রোহিঙ্গা পরিস্থিতি পরিদর্শনে এসেছেন বিশ্বের ১৫টি দেশের ১৯ জন দূত। দিল্লিস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনের বিশেষ আমন্ত্রণে এরা বাংলাদেশ সফরে এসেছেন বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।
দেশগুলো হলো, বসনিয়া-হারজেগোবিনিয়া, বুলগেরিয়া, সাইপ্রাস, ইথিওপিয়া, জর্জিয়া, গ্রিস, মরিশাস, পর্তুগাল, স্লোভেনিয়া, ইউক্রেন, জাম্বিয়া, নাইজেরিয়া, চেক রিপাবলিক, অস্ট্রিয়া, গানা, নিউজিল্যান্ড, কেনিয়া ও ফিজি। তাদের সঙ্গে এসেছেন, দিল্লিস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনার সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলী, উপ-হাইকমিশনার রাকিবুল হকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
রবিবার বেলা ১২টার দিকে কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেনের সঙ্গে রোহিঙ্গা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনায় বসেন।
জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেন তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আগত রাষ্ট্রদূতদের রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা, খাদ্য-বস্ত্র, বাসস্থান, যোগাযোগ ব্যবস্থা, স্যানিটেশন, নিউট্রিশনসহ, বিভিন্ন বিষয়ে অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত করা হয়েছে। অগ্রগতি সম্পর্কে জেনে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে বাংলাদেশ সরকারে প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন তারা। পরে বেলা দেড়টার দিকে কক্সবাজারের উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে যান তারা। এসময় রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বিভিন্ন ব্লক ঘুরে নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলেন দূতগণ।
এদিকে, ২৩ নভেম্বর সই হওয়া প্রাথমিক চুক্তি মতে দুই মাসের মধ্যে জোরপূর্বক বাস্তুুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের ফেরানোর কাজ পুরোপুরি শুরু করার ‘বাধ্যবাধকতা’ রয়েছে। ওদিকে রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর মিয়ানমার সেনাবাহিনী ও তাদের দোসরদের বর্বর নির্যাতনের বিরুদ্ধে সোচ্চার ইউরোপীয় পার্লামেন্ট। সেখানে মিয়ানমার জেনারেলদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপে ভোটাভুটি হওয়ার কথা রয়েছে।
রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব ফিরিয়ে দেয়া, তাদের ওপর বর্মী নির্যাতন বন্ধ, বাস্তুুচ্যুতদের নিরাপত্তা ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন এবং চলমান রাখাইন সংকটের দ্রুত এবং স্থায়ী সমাধানে ১২ দফা প্রস্তাব উত্থাপিত হয়েছে ইইউ পার্লামেন্টে। বৃহস্পতিবার সেই প্রস্তাবের ওপর আলোচনা শুরু হলেও ভোটাভুটির ফল জানা যায়নি।

 

Be the first to comment on "রোহিঙ্গা শিবিরে পরিদর্শনে ১৫ দেশের ১৯ দূত"

Leave a comment

Your email address will not be published.




16 + sixteen =