সৌদি আরবে সেসব সম্পত্তির অস্তিত্বই নেই : ফকরুল

Print Friendly, PDF & Email

নিউজ ডেস্ক :  বিদেশে খালেদা জিয়া ও তার পরিবারের নামে যে সম্পত্তির কথা বলা হচ্ছে ‘তার কোনো অস্তিত্ব নেই’ বলে দাবি করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় সোমবার ঢাকায় এক কর্মসূচিতে এ কথা বলেন তিনি।

ফখরুল বলেন, ‘আমরা সারা পৃথিবীতে খোঁজ নিয়ে দেখেছি, এ ধরনের কোনো কিছুর কোনো ভিত্তি নেই। এমনকি যে প্রোপার্টির কথা বলা হয়েছে, সেই প্রোপার্টিগুলোরও কোনো অস্তিত্ব নেই।

সরকার জনগণকে ‘বিভ্রান্ত করতে এ ধরনের মিথ্যা’ সংবাদ প্রচার করছে বলে অভিযোগ করেন বিএনপি মহাসচিব।

সম্প্রতি দেশের কয়েকটি সংবাদ মাধ্যমে বিদেশি একটি প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে একটি খবর প্রকাশিত হয়। সেখানে বলা হয়, বাংলাদেশে দুর্নীতি মামলায় বিচারের মুখে থাকা সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ও তার পরিবারের সদস্যদের বিপুল পরিমাণ সম্পদ রয়েছে সৌদি আরবে। সেখানে এসব সম্পদ নিয়ে তদন্তও চলছে।

রবিবার স্বেচ্ছাসেবক লীগের এক সমাবেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, “সৌদি আরবে খালেদা জিয়া ও তার পুত্র তারেক রহমানের দুর্নীতির খবর বেরিয়ে গেছে, আর সেটা নিয়ে তাদের গাত্রদাহ শুরু হয়ে গেছে। কী করে এই দায় এড়াবে?

এই দলের দুর্নীতির ইতিহাস সবাই জানে। দুর্নীতির দুর্গন্ধ আবারও ছড়িয়ে পড়েছে। যতই ময়লা নিয়ে ঘাঁটাঘাটি করবেন ততই দুর্গন্ধ বাড়বে। ফান্দে পড়ে বগা কান্দে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের বক্তব্যের জবাবে বিএনপি মহাসচিব বলেন, “আমরা তো পরিষ্কারভাবে বলেছি, তারা (সরকার) প্রমাণ করুক।

কম্বোডিয়া সফর নিয়ে গত বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও সৌদি আরবে বিএনপি নেত্রীর সম্পদের খবর নিয়ে কথা বলেন।

এর প্রতিক্রিয়ায় শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশে করে বলেন, “ওই মানহানিকর তথ্য প্রচারের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করুন। অন্যথায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে আমরা বাধ্য হব।”

বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে সোমবার সকালে হাই কোর্ট মাজার প্রাঙ্গণে বিএনপির মহানগর দক্ষিণ শাখার উদ্যোগে গরীব ও দুঃস্থদের মধ্যে কম্বল বিতরণ করেন মির্জা ফখরুল।

মহানগর দক্ষিণের সভাপতি ও কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাশার, সহসভাপতি শামসুল হুদা, মোহাম্মদ মোহন এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন।

Be the first to comment on "সৌদি আরবে সেসব সম্পত্তির অস্তিত্বই নেই : ফকরুল"

Leave a comment

Your email address will not be published.




eleven + 20 =