মানিলন্ডারিং ও অবৈধ লেনদেনে মোবাইল ব্যাংকিং

Print Friendly, PDF & Email

নিউজ ডেস্ক : মোবাইল কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং ও অবৈধ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। এতে অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতিতে বড় পরিবর্তন আসবে বলে মনে করে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ জন্য মোবাইল ব্যাংকিং নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ প্রেক্ষিতে তিন হাজারের বেশি মোবাইল ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বন্ধ করেও দেয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট (বিআইবিএম) আয়োজিত দুই দিনব্যাপী সম্মেলনের দ্বিতীয় দিন সোমবার সাবেক ডেপুটি গভর্নর ও বিআইবিএময়ের চেয়ার প্রফেসর খোন্দকার ইব্রাহীম খালেদ মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে এ কথা বলেন। রবিবার এ সম্মেলন শুরু হয়। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে প্রধান অতিথি ছিলেন ডেপুটি গভর্নর এস কে সুর চৌধুরী।

মূল প্রবন্ধে ইব্রাহীম খালেদ বলেন, অবৈধ লেনদেনগুলোর বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গোয়েন্দা ইউনিট কাজ শুরু করেছে। এ ধরনের লেনদেন অবশ্যই খুঁজে বের করতে হবে। কারণ অন্তর্ভুক্তিমূলক ব্যাংকিংয়ের বড় বাধা অবৈধ লেনদেন। মোবাইল ও এজেন্ট ব্যাংকিং অন্তর্ভুক্তিমূলক ব্যাংকিংয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও এখন তা গভীর উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

অবৈধ লেনদেন অন্তর্ভুক্তিমূলক ব্যাংকিংয়ের বড় বাধা উল্লেখ করে তিনি বলেন, গত বছর মোবাইল কোম্পানিগুলো মোবাইল ব্যাংকিংয়ের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে অনুমতি চেয়ে আবেদন করে। কিন্তু আর্থিক লেনদেনে বিটিআরসির অনুমোদন না থাকায় এ আবেদনে সাড়া দেয়নি বাংলাদেশ ব্যাংক। কারণ বাংলাদেশ ব্যাংক ফোন কোম্পানিগুলোর নিয়ন্ত্রক সংস্থা নয়।

অনুষ্ঠানে এস কে সুর চৌধুরী বলেন, আর্থিক অবকাঠামোতে দৃশ্যমান গতি আনতে কাজ করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আর্থিক স্থিতিশীলতা ও টেকসই উন্নয়নের দিকে দেশকে এগিয়ে নেয়ায় এর মূল উদ্দেশ্য।

তিনি আরও বলেন, ইতিমধ্যেই আন্ত:ব্যাংক লেনদেনে মোবাইল ব্যাংকিং যুক্ত হয়েছে। এর ফলে প্রান্তিক ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীও ব্যাংকিং সেবার আওতায় আসছে। মোবাইল ব্যাংকিংকে বাংলাদেশ ব্যাংক আরও গ্রাহক বান্ধব করতে চায়। এতে অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতিতে বড় পরিবর্তন আসবে। এ জন্য স্কুল ব্যাংকিং ছাড়াও আর্থিক খাতের বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

Be the first to comment on "মানিলন্ডারিং ও অবৈধ লেনদেনে মোবাইল ব্যাংকিং"

Leave a comment

Your email address will not be published.




20 − nine =